Home 1 খেলা 1 বাংলাদেশের ৮ উইকেট,অস্ট্রেলিয়ার ১৫৬ রান

বাংলাদেশের ৮ উইকেট,অস্ট্রেলিয়ার ১৫৬ রান


জিএসএস নিউজ :: ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথের ব্যাটে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া। ঢাকা টেস্ট জিততে হলে চতুর্থ দিনে দারুণ কিছু করে দেখাতে হবে বাংলাদেশের বোলারদের।

২৬৫ রান তাড়ায় মঙ্গলবার তৃতীয় দিন শেষে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০৯ রান। তৃতীয় উইকেটে ৮১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ওয়ার্নার ৭৫ ও স্মিথ ২৫ রানে অপরাজিত আছেন। ম্যাচ জিততে অস্ট্রেলিয়ার দরকার আর ১৫৬ রান, বাংলাদেশের চাই ৮ উইকেট।

ওয়ার্নার-স্মিথ জুটির ফিফটি: ২৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার ও স্টিভ স্মিথ। দুজন জুটির পঞ্চাশ পার করেছেন। ২২তম ওভারে মিরাজের বলে স্মিথ ২ রান নিয়ে জুটির ফিফটি পূর্ণ করেন। তখন স্মিথের সংগ্রহ ১৫, ওয়ার্নারের ৫৫, আর অস্ট্রেলিয়ার ৭৯/২।

ওয়ার্নারের ফিফটি: প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ফিফটি করেছেন ডেভিড ওয়ার্নার। ব্যক্তিগত ৪৯ থেকে তাইজুলের বলে সিঙ্গেল নিয়ে পঞ্চাশ স্পর্শ করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। দ্রুত ২ উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিচ্ছেন ওয়ার্নার। ২৬৫ রান তাড়ায় ২০ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২ উইকেটে ৬৯।

খাজাকে ফেরালেন সাকিব: উইকেট পেতে পারতেন প্রথম ওভারেই। কিন্তু সৌম্য সরকার স্লিপে ডেভিড ওয়ার্নারের ক্যাচ নিতে ব্যর্থ হওয়ায় সেবার উইকেট পাননি সাকিব। তবে নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসেই সাফল্য পেয়েছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। বাঁহাতি স্পিনারে বলে তাইজুল ইসলামের দারুণ এক ক্যাচে বিদায় নিয়েছেন উসমান খাজা। সাত মাস পর দলে ফেরা খাজা দুই ইনিংসেই ব্যর্থ, করলেন জোড়া এক- ১, ১! বিনা উইকেটে ২৭ থেকে ৬ বলের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর তখন ২ উইকেটে ২৮!

প্রথম আঘাত মিরাজের: ২৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা অস্ট্রেলিয়া শিবিরে প্রথম আঘাত হেনেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। অফ স্পিনারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরেছেন ম্যাট রেনশ (৫)। অস্ট্রেলিয়ার উদ্বোধনী জুটি ভেঙেছে ২৭ রানে।

অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ২৬৫: দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারানোর পর মিরাজের দারুণ ব্যাটিংয়ে আড়াইশ ছাড়ানো পুঁজি পেয়েছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস শেষ হয়েছে ২২১ রানে। অস্ট্রেলিয়ার লক্ষ্য ২৬৫ রান। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে ৪টি চারে ২৬ রান করেছেন মিরাজ। ৮৬ রানে ৬ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সেরা বোলার লায়ন।

এশিয়ায় ২০০ বা এর বেশি রান তাড়া করে মাত্র একবারই টেস্ট জিতেছে অস্ট্রেলিয়া। ২০০৬ সালে ফতুল্লায় বাংলাদেশের বিপক্ষেই তিনশ তাড়া করে জিতেছিল তারা।

লিড দুইশ পার করে ফিরলেন শফিউল: নাথান লায়নকে ছক্কা হাঁকিয়ে বাংলাদেশের লিড দুইশ পার করেছেন শফিউল ইসলাম। অবশ্য পরের বলেই হ্যান্ডসকম্বকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন তিনি (৯)। দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর পর মিরাজ-শফিউলের নবম উইকেট জুটিতে আসে মূল্যবান ২৮ রান। শফিউলকে ফিরিয়ে ইনিংসে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেছেন লায়ন।

দ্বিতীয় সেশনে ৫ উইকেট নেই: তৃতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে ৭২ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। শেষ ৩ উইকেট পড়েছে ৯ বলের মধ্যে! চা বিরতি পর্যন্ত দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮ উইকেটে ২০৫। লিড হয়েছে ২৪৮। ১৭ রানে অপরাজিত থাকা মিরাজের ওপরই নির্ভর করছে, বাংলাদেশ লিডটা কতদূর নিতে পারবে। মিরাজের সঙ্গে ২ রানে অপরাজিত আছেন শফিউল ইসলাম।

দুইশ পার: দ্রুত ৩ উইকেট হারানোর পর মিরাজের ব্যাটে দুইশ পেরিয়েছে বাংলাদেশের সংগ্রহ। ৭২তম ওভারে শেষ বলে মিরাজের ডাবলে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের রান ৮ উইকেটে ২০১।

হঠাৎ এলোমেলো বাংলাদেশ: পরপর দুই ওভারে মুশফিক-নাসিরের বিদায়ের পর সাব্বির রহমানের ওপর ছিল বড় দায়িত্ব। কিন্তু পরের ওভারে ফিরে গেলেন তিনিও। লায়নের বলে শর্ট লেগে পিটার হ্যান্ডসকম্বের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন সাব্বির (২২)। ৯ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ। ১৮৬ রানে দাঁড়িয়েই বাংলাদেশ হারিয়েছে ৩ উইকেট! তখন লিড ২৩০-ও পেরোয়নি। মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন শফিউল ইসলাম।

এসেই ফিরলেন নাসির: আগের ওভারেই মুশফিক ফেরার পর উইকেটে এসেছিলেন নাসির। কিন্তু দুই বছর পর দলে ফেরা নাসির ফিরলেন মুখোমুখি চতুর্থ বলেই। অ্যাশটন অ্যাগারের বলে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডকে ক্যাচ দেওয়ার নাসির মেরেছেন ডাক।

রানআউট মুশফিক: নাথান লায়নের বলে সোজা খেলেছিলেন সাব্বির রহমান। বল লায়নের হাত ছুঁয়ে লাগল স্টাম্পে। নন স্ট্রাইকার মুশফিকুর রহিমের ব্যাট তখন ক্রিজের বাইরে, রানআউট। মুশফিক করেছেন ৪১। বাংলাদেশের সংগ্রহ তখন ৬ উইকেটে ১৮৬।

২০০ ছাড়াল লিড: নাথান লায়নের বল রিভার্স সুইপ করে চার হাঁকালেন সাব্বির রহমান। তাতে ২০০ ছাড়াল বাংলাদেশের লিড। তখন দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৬০। লিড ২০৩ রানের। সাব্বির ১১ ও মুশফিক ৩১ রানে অপরাজিত।

দ্রুতই ফিরলেন সাকিব: এক বল আগেই ডাউন দ্য উইকেটে এসে মিড অফের ওপর দিয়ে নাথান লায়নকে চার মেরেছিলেন সাকিব আল হাসান। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান এক বল পর আবার একই শট খেলতে গেলেন। কিন্তু এবার বল উঠে গেল আকাশে, হাতে জমাতে ভুল হলো না প্যাট কামিন্সের। ৪ ওভারের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে বাংলাদেশ। সাকিব (৫) ফিরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৩। ২৭ রান নিয়ে ব্যাটিং করা মুশফিকুর রহিমের সঙ্গী হিসেবে উইকেটে এসেছেন সাব্বির রহমান।

লাঞ্চের পরই ফিরলেন তামিম: দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরিটা হলো না তামিমের। তৃতীয় দিনের লাঞ্চের পর ব্যক্তিগত খাতায় আর ২ রান যোগ করতেই ফিরে গেছেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। প্যাট কামিন্সের বল তামিমের গ্লাভস ছুঁয়ে উইকেটকিপার ম্যাথু ওয়েডের হাতে জমা পড়ে। আম্পায়ার প্রথমে নট আউট দিলেও রিভিউয়ে বদলায় সিদ্ধান্ত। প্রথম ইনিংসে ৭১ রান করা তামিম দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ৭৮। ৮টি চারে ইনিংসটি সাজান তিনি। তামিমের বিদায়ের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৩৫। ২৫ রান নিয়ে ব্যাট করা মুশফিকের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

প্রথম সেশনে ৮৮ রান: তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে তাইজুল ও ইমরুলের উইকেট হারিয়ে ৮৮ রান তুলেছে বাংলাদেশ। লাঞ্চে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৩৩ রান। তামিম ৭৬ ও মুশফিক ২৫ রানে অপরাজিত আছেন। লিড হয়েছে ১৭৬।

তামিম-মুশফিক জুটির ফিফটি: তামিম ও মুশফিকের ব্যাটে বাংলাদেশের লিড বাড়ছে। চতুর্থ উইকেটে দুজন ফিফটি রানের জুটি গড়েছেন।

দেড়শ ছাড়াল লিড: তামিম ইকবালের ব্যাটিং দৃঢ়তায় দেড়শ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের লিড। দিনের শুরুতে তাইজুল আর ইমরুল কায়েস ফিরলেও তামিমকে এই মুহূর্তে যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার চেষ্টা করছেন অধিনায়ক মুশফিক।

দলীয় ১০০ ছাড়িয়ে বাংলাদেশ: তামিম ইকবালের ফিফটিতে ভর করে দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশ। দিনের শুরুতেই নাইটওয়াচম্যান তাইজুলকে বিদায় করেন নাথান লায়ন। এরপর ক্রিজে নেমে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি ইমরুল কায়েসও। সেই লায়নের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ২ রানে ফেরেন তিনি। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে নিজের চওড়া কাঁধে দলকে টানছেন তামিম।

তামিমের ফিফটি: প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ফিফটি তুলে নিয়েছেন তামিম। গতকাল ৩০ রানে অপরাজিত থাকার পর আজ সকালে মাঠে নেমে ফিফটি তুলে নিয়েছেন তিনি। নিজের পঞ্চাশতম টেস্টে দুই ইনিংসেই ফিফটির দেখা পেলেন তামিম। টেস্ট ক্যারিয়ারে দেশসেরা এ ওপেনারের এটি ২৪তম ফিফটি। ১০৯ বল মোকাবেলা করে ৬টি চারে ফিফটি তুলে নেন তামিম। অ্যাশটন অ্যাগারের ৩৫তম ওভারের দ্বিতীয় বলে চার মেরে ফিফটি পূরণ করেন এ তারকা ব্যাটসম্যান।

লায়নের দ্বিতীয় শিকার ইমরুল: প্রথম ইনিংসে ডাক মেরেছিলেন ইমরুল কায়েস। দ্বিতীয় ইনিংসেও হাসেনি তার ব্যাট। দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হয়েছেন ব্যক্তিগত ২ রানে। নাথান লায়নের করা ইনিংসের ৩৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে সেকেন্ড স্লিপে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে তাইজুল: লায়নের আগের ওভারের প্রথম বলেই চার মেরে বাংলাদেশের লিড ১০০তে নিয়ে গিয়েছিলেন তাইজুল ইসলাম। কিন্তু ২৮তম ওভারের প্রথম বলেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে তাকে। লায়নের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ে ব্যক্তিগত ৪ রানে আউট হয়ে ফিরে যান তাইজুল।

১০০ ছাড়াল লিড: নাথান লায়নের ২৬ তম ওভারের প্রথম বলে তাইজুল বাউন্ডারি হাকাঁনোয় ১০০ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশের লিড। এই সময়ে তামিম ৪২ ও তাইজুল ৪ রানে ব্যাট করছেন। দিনের শুরুতে তাদের শুভ সূচনাই বাংলাদেশকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারে।

৮৮ রানের লিডে শুরু: মিরপুরে গতকাল নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেটে ৪৫ রান করে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে বাংলাদেশ। আজ ৮৮ রানের লিড নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করেছে স্বাগতিকরা। দিন শেষ হওয়ার মাত্র দুই ওভার আগে গতকাল ওপেনার সৌম্য সরকার আউট না হলে আজ পুরো ১০ উইকেট নিয়েই খেলতে পারত টাইগাররা। তবে ধৈর্য্যের পরিচয় দিয়ে তামিম অপরাজিত রয়েছেন ৩০ রানে। তার সঙ্গে নাইটওয়াচম্যান হিসেবে গতকাল ৯ বল মোকাবেলা করলেও কোনো রান না করে অপরাজিত ছিলেন তাইজুল ইসলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*